Sunday, April 17, 2016

 এসইও কি?
SEO এর পুরো নাম ‍Search Engine Optimization। বর্তমান বিশ্বের বেশিরভাগ মানুষ তার প্রয়োজনীয় তথ্য খুজে বের করতে সার্চি ইঞ্জিন ব্যবহার করে থাকে। সার্চি ইঞ্জিনে সার্চ করলে  সার্চ ইঞ্চিন তখন তার রেজাল্ট পেজে অনেকগুলো সাইটের ফলাফল প্রদর্শন করে। কোনটি প্রথমে কোন ওয়েবসাইটের নাম হয়ত প্রদর্শন করে ২নং পেজে। যেটি প্রথমে দেখা যাচ্ছে সেটি প্রথমে দেখাচ্ছে কারন সেটিকে এসইও করা হয়েছে। সার্চ ইঞ্জিনের মধ্যে সবচেয়ে জনপ্রিয় ইঞ্জিন হল গুগল। তাছাড়াও Yahoo,Bing, Amazon, Ebey, Twitter, Wikipidia ও উল্লেখযোগ্য। কোন ওয়েবসাইটকে সার্চের প্রথমে প্রদর্শন করার জন্য যে প্রক্রিয়া অবলম্বন করা হয়, সেটিকে এসইও বলে। সাচ যখন আপনার ওয়েবসাইট সার্চের প্রথমে থাকবে তখন ওয়েবসাইটের ভিজিটর বৃদ্ধি পায়। আর ভিজিটর বৃদ্ধি হলে ইনকামও বৃদ্ধি পায়। ধরুন, আপনি গ্রাফিকস কোর্স করবেন, সেজন্য ট্রেনিং সেন্টার খুজছেন। তাহলে হয়ত আপনি গুগলে লিখবেন graphics training in Bangladesh। তখন সার্চের প্রথমে দেখবেন আমাদের ট্রেনিং সেন্টার ক্রিয়েটিভ আইটি ইনস্টিটিউটের নাম। আর এটি দেখে হয়ত আমাদের অফিসিয়াল ওয়েবসাইটে কেউ প্রবেশ করল, এরপর এখান থেকে তথ্য পেয়ে পছন্দ হলে এখানে এসে কোর্সে ভর্তি হয়। এটি হল এসইও
 গ্রাফিক্স ডিজাইন কি?

আপনার মনে প্রশ্ন জাগছে গ্রাফিক্স ডিজাইন আসলে কি! আচ্ছা তার আগে আমাকে বলুন এমন কিছু কি আছে যাতে গ্রাফিক্স ডিজাইন নেই?! সব কিছুতে ডিজাইন আছে, পৃথিবী-পৃথিবীর বাইরে সব কিছুতেই একটা ডিজাইন আছে। তা প্রাকৃতিকভাবে হোক বা কৃতিমভাবে। আপনি হয়ত তা দেখার চেষ্টা করছেন না বা খেয়াল করছেন না। একটু খুজে দেখুন কোন জিনিসটায় ডিজাইন নেই!
এবার আসুন সংজ্ঞায় দেয়ার চেষ্টা করি…নিজের মত করে সংজ্ঞা দিচ্ছি, আসলে গ্রাফিক্স ডিজাইনের সংজ্ঞা এক কথায় দেওয়া সম্ভব নয়..তারপরও চেষ্টা করছি..
” যা কিছু ডিজাইনড সবই গ্রাফিক্স ডিজাইন ”
”একটি ক্রিয়েটিভ প্রসেস যা আর্ট এবং টেকনোলজী এর সমন্বয়ে আইডিয়াগুলো প্রকাশ করে তাকে গ্রাফিক্স ডিজাইন বলে” (আমি আর্ট ও টেকনোলজী …আমার
নিজের থেকেও বেশি পছন্দ করি)

Friday, March 25, 2016

Nashid Computer


 ল্যাপটপের ব্যাটারীর ক্ষমতা বাড়ানোর উপায়....

ল্যাপটপ কম্পিউটার ব্যবহার করেন অথচ এর ব্যাটারির চার্জ কমে যাওয়া নিয়ে শঙ্কিত নন, এমন লোক খুঁজে পাওয়া কঠিন। বিভিন্ন কারণে ল্যাপটপের ব্যাটারির কার্যক্ষমতা কমতে পারে। তবে ল্যাপটপের চার্জ বেশিক্ষণ ধরে রাখার কিছু কৌশল আছে। মূলত ব্যাটারির চার্জ কমতে পারে দুই কারণে। এক. অপারেটিং সিস্টেমের সেটিংস ঠিকভাবে করা না হয়ে এবং দুই. ব্যাটারির সেলের ক্ষমতা কমে গেলে।

*অপারেটিং সিস্টেম সেটিংস*
উইন্ডোজ অপারেটিং সিস্টেমের জন্য Control Panel থেকে Power Option চালু করুন। এখানে Balanced, Power Saver থেকে যেকোনো একটি নির্বাচন করে নিন। এটা খুব বেশি পার্থক্য তৈরি করে না, তাই যে কোনোটা নির্বাচন করলে চার্জ বেশি থাকবে। কারণ সেটিংসে কিছু পরিবর্তন আনলেই বেশিক্ষণ চার্জ ধরে রাখার ব্যবস্থা করে দেওয়া যাবে। এবার যেকোনো পাওয়ার প্ল্যান বেছে নিতে Change plan settings-এ ক্লিক করুন।
এই প্ল্যান সেটিংসে হার্ডডিস্কের জন্য Turn off hard disk after-এ On battery-তে 10 minute এবং Plugged in-এর জন্য 15 minute নির্ধারণ করে দিন। জেনে রাখা জরুরি, হার্ডডিস্ক ড্রাইভ ব্যাটারি থেকে সবচেয়ে বেশি চার্জ নেয়। যত বেশি সময় এটি বন্ধ রাখা যাবে তত ভালো হয়। পরে অন্য প্রোগ্রাম চালু করতে চাইলে স্বয়ংক্রিয়ভাবে হার্ডডিস্ক চালু হয়ে যাবে।
Process power management-এর জন্য প্রসেসর ভিন্ন ভিন্ন গতিতে তার কাজ সমপন্ন করে থাকে। যখন দরকার পড়ে, তখন দ্রুত কাজ করে এবং যখন দরকার পড়ে না, তখন নিষ্ক্রিয় হয়ে থাকে। তাই Minimum processor state-এর On battery এবং Plugged in-এ ৫% নির্ধারণ করে দিন। Maximum processor state-এর On battery এবং Plugged in-এ ৫০% নির্ধারণ করে দিন।
ডিসপ্লের জন্য Dim display after-এ On battery এবং Plugged in-এর জন্য যথাক্রমে ১ এবং ২ minute করে নির্ধারণ করে দিন। এভাবে এখানে থাকা বাকি সেটিংগুলোতে সর্বনিম্ন মানের সময় নির্ধারণ করে দিন।
এ কাজটি আরও ভালোভাবে করা যাবে উইন্ডোজ মোবিলিটি সেন্টারে গিয়ে। এ জন্য Winkey+X একসঙ্গে চেপে সেটি খুলতে হবে। এ কাজগুলো সফটওয়্যারের মাধ্যমেও করতে পারবেন এ জন্য www.codeplex.com/vistabattery থেকে ভিস্তা ব্যাটারি সফটওয়্যারটি নামিয়ে নিয়ে সহজে বাকি কাজ করা যাবে।